সাধুভাষার বৈশিষ্ট্য কোনটি?

Updated: 1 day ago
  • গুরুচণ্ডাল
  • গুরুগম্ভীর
  • অবোধ্য
  • দুর্বোধ্য
1.1k
ব্যাখ্যাঃ

সাধুভাষা বাংলা ভাষার একটি প্রাচীন রূপ যা লিখিত গদ্যে ব্যবহৃত হতো। এর প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলো হলো:

        
  • ক্রিয়া ও সর্বনাম পদের পূর্ণরূপ ব্যবহৃত হয় (যেমন: ‘করিতেছে’, ‘তাহাদের’)।
  •     
  • তৎসম শব্দের (সংস্কৃত থেকে সরাসরি আগত শব্দ) বাহুল্য থাকে।
  •     
  • বাক্যবিন্যাস সুনির্দিষ্ট ও অলংকৃত হয়।
  •     
  • এটি গুরুগম্ভীর ও মার্জিত রূপ পরিগ্রহ করে।
  •     
  • সংলাপ, নাটক বা বক্তৃতার জন্য অনুপযোগী।

উপরিউক্ত বৈশিষ্ট্যগুলোর মধ্যে গুরুগম্ভীর একটি প্রধান বৈশিষ্ট্য। সাধুভাষার গঠন ও শব্দচয়ন এটিকে একটি গম্ভীর ও মার্জিত রূপ দান করে।

অন্যান্য বিকল্পগুলির বিশ্লেষণ:

        
  1. মুরুচন্ডাল: এই শব্দটি সম্ভবত 'গুরুচণ্ডালী' দোষের ভুল বানান। 'গুরুচণ্ডালী দোষ' হলো সাধু ও চলিত রীতির মিশ্রণ, যা বাংলা ব্যাকরণে একটি গুরুতর ত্রুটি হিসেবে বিবেচিত। এটি সাধুভাষার কোনো বৈশিষ্ট্য নয়, বরং একটি বর্জনীয় বিষয়।
  2.     
  3. অবোধ্য: সাধুভাষা মোটেও অবোধ্য (incomprehensible) নয়। এর সুনির্দিষ্ট ব্যাকরণিক কাঠামো এবং শব্দভাণ্ডার রয়েছে, যা এটিকে বোধগম্য করে তোলে, যদিও আধুনিক পাঠকদের জন্য এর সাথে পরিচিতি প্রয়োজন হতে পারে।
  4.     
  5. দুর্বোধ্য: সাধুভাষা কিছুটা কঠিন মনে হলেও এটি মৌলিকভাবে দুর্বোধ্য (difficult to understand) নয়। নিয়মানুসারে এবং অর্থপূর্ণ বাক্য গঠনে এর ব্যবহার হয়।

অতএব, সাধুভাষার একটি সুস্পষ্ট এবং সঠিক বৈশিষ্ট্য হলো এর গুরুগম্ভীর প্রকৃতি।

Sumaiya Mim
Sumaiya Mim
1 month ago

পূর্বে সাহিত্য রচনা ও লেখালেখির জন্য তৎসম শব্দবহুল, দীর্ঘ সর্বনাম ও ক্রিয়াপদ সম্পন্ন যে গুরুগম্ভীর ভাষারীতি ব্যবহৃত হতো, তাকেই সাধু ভাষা বলে। এই ভাষা অত্যন্ত গুরুগম্ভীর, দুরূহ এবং এতে দীর্ঘ পদ ব্যবহৃত হয় বলে এই ভাষা কথা বলার জন্য খুব একটা সুবিধাজনক না। তাই এই ভাষায় কথাও বলা হয় না। এই ভাষা কেবল লেখ্য রীতিতে ব্যবহারযোগ্য। তাও বহু আগেই লেখ্য রীতি হিসেবে চলিত রীতি সুপ্রতিষ্ঠিত হয়ে যাওয়ায় সাধু রীতি এখন লেখ্য ভাষা হিসেবেও ব্যবহৃত হয় না। কেবল সরকারি দলিল-দস্তাবেজ লেখা ও অন্যান্য কিছু দাপ্তরিক কাজে এখনো এই রীতি ব্যবহৃত হয়।

সাধু রীতির প্রধান বৈশিষ্ট্যসমূহ:
  • তৎসম শব্দের ব্যবহার: এতে সংস্কৃত বা তৎসম শব্দের বাহুল্য থাকে ।

  • দীর্ঘ পদ: সর্বনাম ও ক্রিয়াপদের রূপ দীর্ঘ হয় (যেমন: খাইতেছে, গিয়াছিল, উহাদের)।

  • ব্যাকরণ অনুসারী: সাধু ভাষা ব্যাকরণের নিয়ম অত্যন্ত কঠোরভাবে মেনে চলে।

  • গুরুগম্ভীর ও মার্জিত: এটি অত্যন্ত গম্ভীর ও কাব্যিক প্রকৃতির।

সাধু ও চলিত রীতির পার্থক্যের উদাহরণ:
  • সাধু: তাহা হইলে তুমি কোথায় যাইবে?

  • চলিত: তাহলে তুমি কোথায় যাবে?

  • সাধু: আমি অদ্যই আসিব।

  • চলিত: আমি আজই আসব।

ইতিহাস ও ব্যবহার:
ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পণ্ডিতগণ বাংলা গদ্যের শুরুতে এই রীতি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। বর্তমানে লেখালেখিতে এর ব্যবহার কমে গেছে এবং চলিত রীতি বা প্রমিত রূপই (Standard Bengali) বেশি জনপ্রিয়।
সতর্কতা: সাধু ও চলিত ভাষার মিশ্রণকে 'গুরুচণ্ডালী দোষ' বলা হয়।

Related Question

View All
Updated: 6 days ago
  • গুরুগম্ভীর
  • গুরুচণ্ডালী
  • অবোধ্য
  • দুর্বোধ্য
18
Updated: 3 months ago
  • সাধু ভাষায় পদবিন্যাস রীতি সুনির্দিষ্ট
  • সাধু ভাষায় তৎসম শব্দের ব্যবহার বেশি
  • সাধু ভাষায় সংস্কৃত শব্দের ব্যবহার বেশি
  • সাধু ভাষা সব সময় ব্যকরণের নিয়ম মেনে চলে না
66
Updated: 4 weeks ago
  • আজ
  • মিনতি
  • জল
  • জোসনা
119
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews

Question Analytics

মোট উত্তরদাতা

জন

সঠিক
ভুল
উত্তর নেই